যেসব সরকারি কর্মচারী তাদের নিজ নিজ বিভাগের জন্য নির্ধারিত বয়সের সীমায় পৌঁছাবেন, তারা এখন থেকে তাদের জন্মদিনের মাসের শেষে অবসরকালীন সুবিধা দাবি করতে পারবেন। এই ব্যবস্থাটি বিশেষ করে সেইসব কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য, যাদের প্রশাসনিক পদমর্যাদার উপর নির্ভর করে আইনসম্মত অবসরের বয়স ৬০, ৬৫ বা ৭০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
বেসামরিক চাকরি বিষয়ক মন্ত্রণালয় অবসর গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও নিয়মিত করার লক্ষ্যে একটি নতুন সংস্থা গঠনের ঘোষণা দিয়েছে।
এখন থেকে, যেসব কর্মচারী তাদের নিজ নিজ কোর, ফ্রেমওয়ার্ক বা পদক্রম অনুযায়ী প্রযোজ্য বয়সসীমায় পৌঁছেছেন, তাদের অবসর গ্রহণের আদেশ মাসিক ভিত্তিতে জারি করা হবে।
এই সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো, বিশেষত, যেসব সরকারি কর্মচারী ইতোমধ্যে আইনসম্মত বা বিধিবদ্ধ অবসর গ্রহণের বয়সে পৌঁছেছেন, তাঁদের ফাইলপত্র জমা হওয়া রোধ করা। এটি প্রশাসনকে তার কর্মী বাহিনীর ওপর আরও ভালো নিয়ন্ত্রণ রাখতে এবং অবসর গ্রহণের আবেদন প্রক্রিয়াকরণে বিলম্ব কমাতেও সক্ষম করবে।
বিভাগের জন্য, এই নতুন পদ্ধতিটি প্রস্থান প্রক্রিয়াকে আরও অনুমানযোগ্য করে তুলবে এবং রাষ্ট্রীয় মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাকে সহজতর করবে।
তাই মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীদেরকে তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বয়সের সীমা বিবেচনা করে আগে থেকেই প্রস্থানের পরিকল্পনা করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই প্রক্রিয়াটি প্রযোজ্য আইন ও প্রবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
অনুসরণ
আফ্রিকা সংবাদ সম্পর্কে আরও জানুন
আপনার ইমেলে পাঠানো সর্বশেষ পোস্ট পেতে সদস্যতা নিন।






